l6777-এ টাকা জমা দেওয়া বা তোলা এখন অত্যন্ত সহজ। বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংক – যেকোনো মাধ্যমে মিনিটের মধ্যে লেনদেন সম্পন্ন হয়।
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পেমেন্ট চ্যানেলগুলো সবই l6777-এ সমর্থিত।
প্রতিটি পদ্ধতির জন্য আলাদা সীমা প্রযোজ্য। নিচের তালিকা দেখে পছন্দের পদ্ধতি বেছে নিন।
| পদ্ধতি | সর্বনিম্ন | সর্বোচ্চ/দিন | সময় |
|---|---|---|---|
| বিকাশ | ৳ ২০০ | ৳ ৫০,০০০ | তাৎক্ষণিক |
| নগদ | ৳ ২০০ | ৳ ৫০,০০০ | ১–৩ মিনিট |
| রকেট | ৳ ৩০০ | ৳ ৩০,০০০ | ২–৫ মিনিট |
| ব্যাংক | ৳ ১,০০০ | ৳ ৫,০০,০০০ | ১–৬ ঘণ্টা |
| কার্ড | ৳ ৫০০ | ৳ ১,০০,০০০ | ৩–১০ মিনিট |
| ক্রিপ্টো | $১০ | সীমাহীন | নেটওয়ার্ক |
| পদ্ধতি | সর্বনিম্ন | সর্বোচ্চ/দিন | সময় |
|---|---|---|---|
| বিকাশ | ৳ ৫০০ | ৳ ৩০,০০০ | ৫–১৫ মিনিট |
| নগদ | ৳ ৫০০ | ৳ ৩০,০০০ | ৫–১৫ মিনিট |
| রকেট | ৳ ৫০০ | ৳ ২০,০০০ | ১০–২০ মিনিট |
| ব্যাংক | ৳ ২,০০০ | ৳ ৫,০০,০০০ | ১–২৪ ঘণ্টা |
| কার্ড | ৳ ১,০০০ | ৳ ৫০,০০০ | ১–৩ ঘণ্টা |
| ক্রিপ্টো | $২০ | সীমাহীন | নেটওয়ার্ক |
মাত্র কয়েকটি সহজ ধাপে আপনার অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স যোগ করুন এবং পছন্দের গেম শুরু করুন।
আপনার l6777 অ্যাকাউন্টে লগইন করুন। নতুন হলে প্রথমে নিবন্ধন সম্পন্ন করুন।
ড্যাশবোর্ড বা ওয়ালেট মেনু থেকে "ডিপোজিট" বা "জমা" বাটনে ক্লিক করুন।
বিকাশ, নগদ বা অন্য পদ্ধতি সিলেক্ট করুন এবং জমার পরিমাণ লিখুন।
নির্দেশিত নম্বরে বিকাশ/নগদ থেকে পেমেন্ট করুন। ট্রানজেকশন আইডি কপি রাখুন।
কয়েক মিনিটের মধ্যেই আপনার ওয়ালেটে ব্যালেন্স দেখতে পাবেন। এখনই গেম শুরু করুন!
জয়ের টাকা সহজেই আপনার মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিয়ে নিন।
l6777-এ আপনার ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।
ওয়ালেট বিভাগ থেকে উইথড্র অপশনে যান।
বিকাশ/নগদ/ব্যাংক বেছে নিন এবং প্রাপকের নম্বর বা অ্যাকাউন্ট তথ্য লিখুন।
কত টাকা তুলতে চান তা লিখুন এবং সাবমিট করুন।
৫–১৫ মিনিটের মধ্যে বিকাশ বা নগদে টাকা চলে আসবে। ব্যাংকে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।
অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে টাকা লেনদেনের বিষয়টা অনেকের কাছেই একটু সংশয়ের জায়গা। কতটুকু নিরাপদ, কতক্ষণ লাগবে, কোনো সমস্যা হলে কী করব – এই প্রশ্নগুলো স্বাভাবিক। l6777 এই সংশয় দূর করতে শুরু থেকেই একটা স্বচ্ছ ও দ্রুত লেনদেন ব্যবস্থা তৈরি করেছে যেটা বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে।
বিকাশ ও নগদ – এই দুটো এখন বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি ঘরে ব্যবহার হয়। ঢাকার বাইরে, যেখানে ব্যাংকিং সুবিধা সীমিত, সেখানেও মানুষ মোবাইলে লেনদেন করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। l6777 সেই বাস্তবতা বুঝেছে এবং এই দুটো পদ্ধতিকে প্রাধান্য দিয়েছে। বিকাশে জমা দিলে সাধারণত ৩ মিনিটের মধ্যে অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স দেখা যায়। নগদেও একই রকম দ্রুততা।
রকেট (ডাচ-বাংলা ব্যাংক) ব্যবহারকারীদের জন্যও সুবিধা আছে। এজেন্ট বা অ্যাপের মাধ্যমে জমা দেওয়া যায় এবং উত্তোলনও একইভাবে হয়। যারা নিয়মিত ডাচ-বাংলার সেবা ব্যবহার করেন তাদের জন্য এটি পরিচিত পদ্ধতি।
ব্যাংক ট্রান্সফারে সময় একটু বেশি লাগে, কিন্তু বড় পরিমাণের লেনদেনের জন্য এটি সবচেয়ে নিরাপদ পথ। যারা একবারে বড় অঙ্ক জমা দিতে বা তুলতে চান, তারা সাধারণত এই পদ্ধতি পছন্দ করেন। l6777-এর ব্যাংক চ্যানেল নিরাপদভাবে পরিচালিত হয় এবং সব লেনদেন রেকর্ড থাকে।
উত্তোলনের ক্ষেত্রে l6777 একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি মেনে চলে – একই পদ্ধতিতে জমা দিলে একই পদ্ধতিতে উত্তোলন করার অনুরোধ করা হয়। এটা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের একটি আন্তর্জাতিক মান এবং ব্যবহারকারীদের সুরক্ষার জন্যও জরুরি। তাই জমা দেওয়ার সময় থেকেই পদ্ধতিটি মনে রাখুন।
l6777-এ প্রতিটি লেনদেন SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। আপনার ফোন নম্বর, ব্যাংক তথ্য বা ওয়ালেটের কোনো তথ্য তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা হয় না। প্ল্যাটফর্মটি আন্তর্জাতিক গেমিং লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত হওয়ায় আর্থিক স্বচ্ছতার বিষয়ে কড়া নজরদারি রয়েছে।
অনেক সময় দেখা যায়, জমা দেওয়ার পর ব্যালেন্স আসতে একটু দেরি হচ্ছে। এটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কের কারণে হয়, l6777-এর পক্ষ থেকে নয়। তবে যদি ১৫ মিনিটের বেশি সময় লাগে, তাহলে লাইভ চ্যাটে ট্রানজেকশন আইডি দিয়ে যোগাযোগ করুন – সাধারণত ৫–১০ মিনিটের মধ্যে সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।
ঈদ বা পূজার মতো উৎসবের সময় বা ক্রিকেট বিশ্বকাপের মতো বড় ইভেন্টের আগে l6777-এ লেনদেনের চাপ বাড়ে। সেই সময়েও প্ল্যাটফর্মটি স্থিতিশীলভাবে কাজ করে। কারণ এর ব্যাকএন্ড সিস্টেম উচ্চ ট্র্যাফিক সামলানোর জন্য প্রস্তুত। যারা বছরের পর বছর ধরে l6777 ব্যবহার করছেন, তাদের কাছে এটা পরীক্ষিত সত্য।
সবশেষে বলা যায়, l6777-এর আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থাটা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সত্যিকার অর্থেই ব্যবহারকারীবান্ধব। জটিল ফর্ম নেই, লম্বা অপেক্ষা নেই, লুকানো চার্জ নেই। যা দেখানো হয়েছে, তাই পাবেন।
প্রতিটি পেমেন্টের পর বিকাশ বা নগদের ট্রানজেকশন আইডি স্ক্রিনশট নিয়ে রাখুন। সমস্যায় এটি কাজে লাগবে।
সবসময় নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর দিয়ে লেনদেন করুন। অন্যের নম্বর ব্যবহারে উত্তোলনে সমস্যা হতে পারে।
দুর্বল ইন্টারনেট সংযোগে পেমেন্ট করলে ডাবল চার্জ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ওয়াই-ফাই বা ৪জিতে লেনদেন করুন।
কোনো লেনদেন আটকে গেলে দেরি না করে লাইভ চ্যাটে যোগাযোগ করুন। ২৪/৭ বাংলায় সহায়তা পাবেন।
নিবন্ধন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। প্রথম জমায় বিশেষ বোনাস এবং বিকাশ/নগদে তাৎক্ষণিক লেনদেন সুবিধা উপভোগ করুন।